Posted inBlogging Tips

অফ পেজ এসইও ২০২৩ গুরত্বপূর্ণ টিপস, OFF Page SEO Tips 2023 Blogger

অফ পেজ এসইও সম্পর্কে আমাদের ভালো করে জানতে হবে। আমরা অনেকেই অফ পেজ এসইও সম্পর্কে তেমন ভালো একটা জানি না। একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করতে অফ পেজ এসইও এর ভূমিকা অন্যতম। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করতে যেমন অন পেজ এসইও করা প্রয়োজন সাথে সাথে অফ পেজ এসইও করা জরুরী। আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন তাহলে অফ পেজ এসইও সম্পর্কে  আপনার জানতে হবে। 

Read More – ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার উপায়

ব্লগার গুরুত্বপূর্ণ এসইও সেটিংস ২০২৩

জমি ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতার করণীয়

ঠিকানা রিসোর্ট, ঠিকানা রিসোর্ট খরচ, ঠিকানা রিসোর্ট কোথায়,

ভাওয়াল রিসোর্ট খরচ, ভাওয়াল রিসোর্ট এন্ড স্পা

বর্তমানে প্রত্যেকটি কাজের বিভিন্ন আপডেট বা সংস্করণ এসেছে। পূর্বে যেই কাজগুলো যেই নিয়মে করতে হতো এখন সেগুলোর করার নিয়ম অনেকাংশে পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিযোগিতার যুগে প্রত্যেকটি কাজ পরিবর্তনশীল। তেমনই এই অফ পেজ এসইও কোনো অংশে কম নয়। অফ পেজ এসইও তে বিভিন্ন পরিবর্তন ও আপডেট এসেছে। 

ব্লগার অফ পেজ এসইও ২০২৩

একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করতে ওয়েবসাইটের বাহিরে যেই সকল কাজ করতে হয় সেটাই হচ্ছে অফ পেজ এসইও।  অফ পেজ এসইও কি, কিভাবে কাজ করে?, কিভাবে অফ পেজ এসইও করতে হয়? ইত্যাদি সকল বিষয় নিয়ে একটি পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা শেয়ার করবো। 

আজকের আর্টিকেলে সবমিলিয়ে অফ পেজ এসইও নিয়ে একটি পুর্ণাঙ্গ গাইড লাইন দেওয়ার চেষ্ট করবো। যারা নতুন ব্লগার রয়েছেন তারা এই আর্টিকেল থেকে বেশ উপকার লাভ করবেন বলে আশা করছি।

ব্লগার অফ পেজ এসইও টিপস ২০২৩, OFF Page SEO Tips 2023 for Blogger,  how to rank website on google first page,
ব্লগার অফ পেজ এসইও ২০২৩

অফ পেজ এসইও কি – OFF page SEO

অফ পেজ এসইওকে অফ সাইট এসইও বলা হয়ে থাকে। যেহেতু অফ পেজ এসইও ওয়েবসাইট বা ব্লগের বাহিরে করা হয় তাই এটির নাম অফ পেজ এসইও। অফপেজ এসইও করার মাধ্যমে গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে রিয়েল ট্রাফিক জেনারেট করতে বেশ কার্যকরী একটি মাধ্যম। সাধারণত অফ পেজ এসইওতে কিছু স্বাভাবিক কাজ রয়েছে যেগুলো হচ্ছে ব্যাকলিংক তৈরি করা, ওয়েবসাইট প্রচার করা, ব্র্যান্ড তৈরি করা ইত্যাদি

অফ পেজ এসইও কেন প্রয়োজন?

অনেক নতুন এসইও এক্সপার্ট বলে থাকবে যে অফ পেজ এসইও করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু গুগল এখনও অবধি কোনো এম ঘোষনা করে নাই। এছাড়া গুগল একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাতে ব্যাকলিংক এর উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। 

একটি ওয়েবসাইটকে যখন কেউ রিকোমেন্ড করে বা ইউজার যখন ভালো রিভিও রেটিং দেয় তখন এটাকে গুগল সার্চ র‌্যাংকে নিয়ে আসে। এগুলোর উপর গুগল বেশ বিবেচনা করে। তাই একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাতে অবশ্যই অফ পেজ এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন পেজ এসইও ও অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য

অন পেজ এসইও ও অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য বোঝার পূর্বে আপনাকে অপপেজ এসইও সম্পর্কে জানতে হবে। সেজন্য আপনি অন পেজ এসইও এই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন তাহলে আপনার বুঝতে বেশ সুবিধা হবে। আপনি যদি ইতিমধ্যে অন পেজ এসইও সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন।

See also  ব্যাকলিংক কি, কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন, Backlink SEO Tips 2023

অনপেজ এসইও

অনপেজ এসইও ওয়েবসাইটের ভিতরের এসইও এখানে সকল কাজ ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ভিতরে করা হয় বলে একে অন পেজ এসইও বলে। 

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখা থেকে শুরু করে, আর্টিকেল এর ভিতরে যতগুলো ইমেজ থাকবে সেগুলোর টাইটেল, অল্ট ট্যাগ, ক্যাপশন ইত্যাদি ব্যবহার করা। 

বিভিন্ন হেডিং, মেটা ট্যাগ, সার্চ ডেসক্রিপশন, কিওয়ার্ড রিসার্চ করে লিখা পাশাপাশি ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল লিংক তৈরি করা সহ ভিতরের যাবতীয় কাজ ওয়েবসাইটের ভিতরে করা হয়।

অফপেজ এসইও

অন্যদিকে অফপেজ এসইও ওয়েবসাইটের ভিতরে কোনো কাজ নেই। ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করতে বাহিরে অনেক কাজ করতে হয়। আর সেই কাজগুলো বাহিরে থাকায় এসইও এক্সপার্টকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়।

অন পেজ এসইও থেকে অফ পেজ এসইও একটু কষ্টকর হয়ে থাকে। বিশেষ করে লিংক তৈরি করার কাজটা। এখানে ব্যাকলিংক তৈরি, ফোরাম পোস্ট তৈরি, গেস্ট পোস্ট তৈরি, কমেন্ট ব্যাকলিংক, ডু-ফোলো এবং নো- ফোলো ব্যাকলিংক ইত্যাদি কাজ করা হয়।

এখানে সকল কাজ নিজের ওয়েবসাইটের বাহিরে করা হয় তাই এটাকে অফ পেজ এসইও বলে। এই হচ্ছে অন পেজ এসইও  এবং অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য।

অফ পেজ এসইও: লিংক

অফ পেজ এসইও করার ক্ষেত্রে লিংক তৈরি করা হচ্ছে অফ পেজ এসইও এর প্রাণকেন্দ্র। একটি ওয়েবসাইটে ভালো মানের আর্টিকেল থাকলে সেটা হচ্ছে ওয়েবাসাইট র‌্যাংক করার জন্য রাজা হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি ভালো মানের ব্যাকলিংকি তৈরি হলে সেটা খুব দ্রুত র‌্যাংক করতে সাহায্য করে। 

গুগল একটি ওয়েবসাইটের আর্টিকেল বা কন্টেন্টকে খুব গুরুত্ব দিয়ে রিড করে এবং র‌্যাংক করে পরবর্তীতে ভালো মানের ব্যাকলিংক পেলে পোস্টকে উপরের দিকে নিয়ে যায়। SEO Software for Smarter Marketing এর মতে ৩ ধরনের লিংক হয়ে থাকে।

  1. Natural Link: অন্য কেউ যখন আপনার ওয়েবসাইটের লিংক বা কোনো পোস্টের লিংক তার ওয়েবসাইটে স্বাভাবিক ভাবে শেয়ার করবে তখন সেটা Natural Link হিসেবে কাজ করবে। এটা খুবই কার্যকরী ও হাই কোয়ালিটি লিংক এর কাজ করে। এটা আপনি তখনই পেতে পারেন যখন আপনার ওয়েবসাইট মৌলিক ও হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল সমৃদ্ধ হবে।
  2. Manually Built Link: এটা এক ধরনের লিংক বিনিময় প্রথা। এখানে আপনি কারো সাথে চুক্তি করে তার ওয়েবসাইটে একটি পোস্ট বা ওয়েব লিংক শেয়ার করালে এবং সেই ব্যাক্তিও আপনার ব্লগে একটি লিংক শেয়ার করে দিতে বললো। অর্থাৎ উভয়ই একে অপরের লিংক বিল্ড করে নিলেন। এটাই হচ্ছে Manually Built Link.
  3. Self-Created Link: এই ধরনের লিংকিং হচ্ছে আপনি নিজে নিজে অন্যের ওয়েবসাইটের লিংকিং করলেন। এটা হতে পারে কমেন্ট এর মাধ্যমে, গেস্ট পোস্ট করে, ফোরাম এ প্রশ্ন-উত্তর বা পোস্ট করার মাধ্যমে। তবে এখন এই ব্যাক লিংক গুলো র‌্যাংক করতে বেশি একটা সাহায্য করে না।

অফ পেজ এসইও কিভাবে করবো?

একসময় অফ পেজ এসইও করা অনেক সহজ ছিল। প্রতিনিয়ত গুগলের অ্যালগরিদম উন্নত ও আপডেট হওয়ায় দিন দিন অনেক নিয়ম কানুন চেঞ্জ হয়ে আসছে। বিগত কয়েক বছর আগেও NoFollow ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারলে গুগলে র‌্যাংক করানো যেত। কিন্তু বর্তমানে এই পদ্ধতি কার্যকর নয়। বর্তমানে এই লিংকগুলো তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। আবার যেই ব্যাকলিংক থেকে কোনো ট্রাফিক আসছে না সেগুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

See also  অন পেজ এসইও কিভাবে করবো ২০২৩ গাইডলাইন, ON Page SEO 2023 Tips Bangla

আপনি যদি ভেবে থাকেন যে, অন্যের ওয়েবসাইটে লিংক কমেন্ট করে গেলে ওয়েবসাইট র‌্যাংক করবে তাহলে আপনি ভূল ভাবছেন। এতে র‌্যাংক হওয়া দূরের কথা অতিরিক্ত লিংক কমেন্ট করলে সেটাকে গুগল অস্বাভাবিক কার্যকলাপ ধরে উল্টো র‌্যাংক ডাউন করে দিতে পারে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করলেও বর্তমানে তেমন র‌্যাংক পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে নতুন ওয়েবসাইট গুলোর ক্ষেত্রে। এখানে উল্টো ইনভেলিড ট্রাফিক এক্টিভিটি তৈরি হচ্ছে। তাই নতুন ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রথমে দিকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ট্রাফিক না নেওয়ার পরামর্শ থাকবে। 

তবে এখানে যেই পোস্ট এ বেশি পরিমান এনগেজমেন্ট তৈরি হচ্ছে সেগুলো ঠিকই র‌্যাংক করছে। তবে আপনি নতুন অবস্থায় এসব জায়গায় শেয়ার এর ফলে তেমন ফলাফল পাবেন না। উল্টো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হতে পারেন।

অফ পেজ এসইও করার উপায় ও নিয়ম

অফ পেজ এসইও করার অনেক নিয়ম রয়েছে। অফ পেজ এসইও সম্পর্কে জানার পর আপনার মনে প্রশ্ন ঘুরতেছে কিভাবে অফ পেজ এসইও করবো? কোথায় করবো ইত্যাদি। বর্তমানে অফ পেজ এসইও করে একটি ওয়েবসাইট র‌্যাংক করানো মোটামোটি কস্টের একটি কাজ। এর জন্য আপনানে অনেক পরিশ্রম ও টেকনিক খাটিয়ে কাজ করতে হবে। তবেই আপনি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাতে পারবেন। 

অফ পেজ এসইও করার নিয়মগুলোর মধ্যে অনেক বিষয়াদি রয়েছে। যেগুলো আপনাকে সঠিক নিয়মে ও সঠিক উপায়ে করতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো

  • ব্যাকলিংক তৈরি করা
  • সোশ্যাল মিডিয়া এনগেজমেন্ট
  • গেস্ট পোস্ট তৈরি করা
  • ব্র্যান্ডিং তৈরি করা
  • লোকাল এসইও করা
  • গুগল বিজনেস পেজ তৈরি ও রিভিও নেওয়া

ব্যাকলিংক তৈরি করা

যারা ব্লগিং করে ওয়েবসাইটকে সার্চ র‌্যাংক বাড়াতে চান তাদের জন্য গুরুত্বর্পূণ অফ পেজ এসইও হচ্ছে ব্যাকলিংক তৈরি করা। তবে ব্যাকলিংক তৈরি করারও কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। অনিয়ম করে কমেন্ট করে লিংক পেস্ট করে করে ব্যাক লিংক করা যাবে না। যেই ওয়েবসাইটের সাথে ব্যাকলিংক করতে যাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের মান ও যেই পোস্টে করছেন সেই পোস্টের ধরণ অনুসারে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

ব্যাকলিংক তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনি অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন, যেমন- ফোরামে পোস্ট করা, ব্যাকলিংক এক্সচেঞ্জ করা, ফোরামে কমেন্ট করা, পেইড ব্যাকলিংক, অন্যের ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট লিখা ইত্যাদি। এছাড়াও ব্যাকলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত একটি পোস্ট রয়েছে এটি পড়ুন।

একসময় Private Blog Network Backlink, Forum Submission, Image Submission, Directory Submission, Social Bookmarking ইত্যাদি করে ব্যাক লিংক করলে কাজে দিতো কিন্তু বর্তমানে এভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করতে কোনো ভূমিকা পালন করছে না।

সোশ্যাল মিডিয়া এনগেজমেন্ট

একসময় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করলে সেটাকে শেয়ার বলা হলেও এখন এটা নির্ভর করছে এনগেজমেন্ট এর উপর। তাই ওয়েবসাইটের পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করলেই র‌্যাংক করে না। এর জন্য প্রচুর এনগেজমেন্ট এর প্রয়োজন রয়েছে। আপনি একটা পোস্ট শেয়ার করে রাখলেন কিন্তু সেটা থেকে কোনো ভিজিটরই আসলো না। সেই ক্ষেত্রে এনগেজমন্টেও হলো না। এতে আপনার ওয়েবসাইটের র‌্যাংকও বৃদ্ধি পাবে না। 

See also  আর্টিকেল লেখার নিয়ম, ইউনিক ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম

ওয়েবসাইট তৈরির শুরুর দিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট শেয়ার না করাই ভালো।  আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট শেয়ার করতে চান তাহলে আগে দেখে নিবেন সেখানে যেই পোস্ট শেয়ার করবেন সেই পোস্ট পড়ার লোকজন আছে কিনা। যদি থাকে তবে শেয়ার করবেন। এতে ভালো এনগেজমেন্ট তৈরি হবে। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করার সময় সম্পর্কিত পোস্ট শেয়ার করার চেষ্টা করবেন

গেস্ট পোস্ট তৈরি করা

ইন্টানেটে খুজলে অনেক ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে যেখানে গেস্ট পোস্ট করা যায়। আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত ওয়েবসাইটগুলোতে গেস্ট পোস্ট তৈরি করতে পারেন। এটি সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করতে অবদান রাখে। এবং একটি বাড় বড় ব্লগার, লেখকদের সাথে কমিউনিটি তৈরি হতে সাহায্য করে। 

তবে গেস্ট পোস্ট তৈরি করার পূর্বে যেই ওয়েবসাইটে পোস্ট করতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি দেখে নিবেন। অর্থাৎ PA and DA দেখে নিবেন। যেই ওয়েবসাইটের সাথে আপনার কন্টেন্ট এর বিষয় মিল নেই সেই ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট তৈরি করতে যাবেন না। লিংক বিল্ড করার মূল কারণ হচ্ছে সেখান থেকে ভিজিটরদের ফায়দা নেওয়া। তাই মোবাইল রিভিও ওয়েবসাইটে ব্লগিং টিপস শেয়ার করলে ভিজিটর পাবেন না। যেটা আপনার ওয়েবসাইটের র‌্যাংক করতে কোনো সহযোগিতা করবে না।

ব্র্যান্ডিং তৈরি করা

ওয়েবসাইটের ব্র্যান্ডিং করতে পারলে সহজেই ওয়েবসাইট র‌্যাং করে। তবে নতুন ওয়েবসাইটকে সহজে ব্র্যান্ডিং করা যায় না। একটা ওয়েবসাইটে যখন আপনি প্রচুর পরিমানে কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন তখন আপনার ওয়েবসাইট পরিচিতি লাভ করবে তখনই ব্র্যান্ডিং করা সহজ হয়।

ওয়েবসাইটকে ব্র্যান্ডিং করার ফলে আপনার ওয়েবসাইটের নাম লিখে মানুষ গুগলে সার্চ করতে শুরু করবে এবং অনায়াসে র‌্যাংক পেতে থাকবে। এর জন্য আপনাকে প্রচুর মার্কেটিং ও অনলাইন অফলাইনে প্রচার চালাতে হবে। তবেই আপনি ব্র্যান্ডিং করতে পারবেন।

লোকাল এসইও করা

লোকার এসইও বলতে নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের জন্য এসইও করা। ধরুন আপনি কম্পিউটারের বিভিন্ন এক্সেসরিজ বিক্রি করেন নির্দিষ্ট একটি শহর ময়মনসিংহে। সুতরাং এখানে আপনি গ্লোবাল এসইও না করে লোকাল এসইও করুন শুধুমাত্র ঐ ময়মনসিংহ শহরের নিদিষ্ট কাস্টমারদের জন্য। এতে আপনার র‌্যাংক ভালো করবে। 

স্থানীয় ও অঞ্চল ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো এভাবে কাজ করছে। কারণ এখানে লোকাল এসইও করার ফলে যারা বিভিন্ন পন্য খুজতেছে তারা পন্যের সাথে কিছু ক্ষেত্রে অঞ্চলের নাম জুরে দিচ্ছে অথবা লোকেশনের অবদানে সেই সব ফলাফল তাদের সামনে আসছে। এভাবে গুগল লোকাল এসইওর প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাচ্ছে।

গুগল বিজনেস পেজ তৈরি ও রিভিও

গুগল গ্রাহকদের ব্যবসা ম্যানেমেন্ট করার জন্য বিজনেস প্রফাইল তৈরি করার অপশন চালু করেছে যেখান থেকে প্রত্যেক ব্যাক্তি তার অঞ্চল ভিত্তিক ব্যাবসায়ীক প্রফাইল তৈরি করছে। সেখানে ওয়েবসাইট, ইমেইল ও যোগাযোগের সকল ঠিকানা সম্বলিত প্রফাইল তাদের ব্যবসা সম্পর্কে গ্রাহকদেরকে জানাচ্ছে। এটি লোকাল এসইও এর ক্ষেত্রে বেশি কাজে দেয়।

বিজনেস পেজে এসে বিভিন্ন গ্রাহকগণ বিভিন্ন রিভিও ও রেটিং দিচ্ছে এর ফলে ওয়েবসাইট ও ব্যবসার গ্রহনযোগ্যতা বাড়ছে। তবে এর জন্য আপনার ওয়েবসাইট ও ব্যবসার কোয়ালিটি সবসময় ভালো রাখতে হবে। অন্যথায় গ্রাহক নেগেটিভ রিভিও দিলে ব্যবসা ডাউন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পরি শেষে

একটি ব্লগ সাইট বা যে কোনো ধরনের ওয়েবসাইট র‌্যাংক বৃদ্ধির জন্য অফ পেজ এসইও খুবই গরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এটিকে অবহেলা করলে আপনার ওয়েবসাইট র‌্যাংক করাতে বেশ কষ্টকর হয়ে যাবে। তাই ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফলতা পেতে অন পেজ এসইও এর পাশাপাশি সঠিক নিয়ম ও সঠিক উপায়ে অফ পেজ এসইও করুন।

এছাড়াও ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ও ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে অনেক অফ পেজ এসইও রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে ব্লগ শেষ হবে না। এসইও সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ও ব্লগিং সম্পর্কে জানতে আমাদের প্রভাতিটেক Provati Tech ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।