Posted inBlogging Tips

অন পেজ এসইও কিভাবে করবো ২০২৩ গাইডলাইন, ON Page SEO 2023 Tips Bangla

অনেকগুলো টেকনিকের সমন্বয়ে গঠিত অন পেজ এসইও যেটি সঠিক উপায়ে প্রয়োগ করে টার্গেট অডিয়েন্স এর কাছে পৌছাতে পারবেন খুব সহজেই। এসইও এর যতগুলো প্রকারভেদ রয়েছে তার মধ্যে অন পেজ এসইও (On Page SEO) হচ্ছে প্রাণ। এসইও করে যে শুধু আপনার ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাতে পারবেন বিষয়টি এমন নয় অন্যের ওয়েবসাইটে এসইও করে দিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

প্রধানত এসইও এর মধ্যে দুইটি অংশ থাকে একটি হচ্ছে অন পেজ এসইও অন্যটি হচ্ছে অফ পেজ এসইও। ওয়েবসাইটের ভিতরে যেই এসইও করতে হয় সেটাই অন পেজ এসইও ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করাতে আমাদের এই দুই ধরনের এসইও এর প্রয়োজন হয়। এছাড়াও রয়েছে টেকনিকেল এসইও যেটি অন পেজ এর একটি অংশ।

প্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, প্রভাতি টেক.কম এ স্বাগতম, আপনার কষ্টের  কন্টেন্ট যদি কেউ না পড়ে তাহলে আপনার কষ্ট কষ্টই থেকে যায়। তাই আপনার কন্টেন্ট এ টার্গেট ভিজিটর এর কাছে পৌছে দিতে অন পেজ এসইও (On Page SEO) এর গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের আর্টিকেলে অন পেজ করে কিভাবে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে যেতে হয় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

Read More – মেডিকেল রিপোর্ট চেক করার নিয়ম

জমি ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতার করণীয়

ঠিকানা রিসোর্ট, ঠিকানা রিসোর্ট খরচ, ঠিকানা রিসোর্ট কোথায়,

ভাওয়াল রিসোর্ট খরচ, ভাওয়াল রিসোর্ট এন্ড স্পা

মেয়েদের জন্য কোন ফেসওয়াশ সবচেয়ে ভালো

অন পেজ এসইও কিভাবে করবো ২০২৩ গাইডলাইন, ON Page SEO 2023 Blogger Tips Bangla
অন পেজ এসইও কিভাবে করবো ২০২৩ গাইডলাইন

অন পেজ এসইও কি – ON Page SEO?

অন পেজ এসইও কে আবার অন-সাইট এসইও বলা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটের ভিতরে যেই এসইও করা হয় সেটাই অন পেজ এসইও। ওয়েবসাইটের ভিতরে  গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো এবং আর্টিকেল গুলোকে অপটিমাইজ করে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলী করে গড়ে তোলাই হচ্ছে অন পেজ এসইও এর কাজ।

অন পেজ এসইও এর অনেকগুলো কাজ রয়েছে যেমন- আকর্ষনীয় ডোমেইন রেজিঃ করা, ভালো হোস্টিং নেওয়া। ওয়েবসাইট এর টেমপ্লেট/থিম এর ভিতরে এসইও করা, এর পর কন্টেন্ট পাবলিশ করার আগে ওয়েবসাইটকে এসইও ফ্রেন্ডলী করা এবং এসইও ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লিখে পাবলিশ করা।

এভাবে এক কথায় অন পেজ এসইও সম্পর্কে বোঝা কষ্টকর সে জন্য আপনাকে পুরো পোস্ট টি পড়তে হবে। মুল কথা হচ্ছে ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করানোর জন্য বাহিরে নয় ভিতরে যেই সকল কাজ করার হয় সেটাই হচ্ছে অন পেজ এসইও।

অন পেজ এসইও কেন করবেন?

এটি একটি সাধারণ প্রশ্ন যে অন পেজ এসই কেন করবেন? দেখুন আপনি On Page SEO শিখতে এসেছেন তাই এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানলে আপনার শেখার আগ্রহ অনেক বেড়ে যাবে। ধরুন আপনি একটি “Symphony Mobile Price” এটা নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখবেন কিন্তু দেখুন এটা নিয়ে ইতিমধ্যে শত শত ব্লগার আর্টিকেল লিখে ফেলেছে। তাই যারা এই বিষয় নিয়ে লিখেছে তারাই আপনার প্রতিযোগি। এদেরকে ফেলে উপরের দিকে উঠতে অন পেজ এসইও On Page SEO এর ভূমিকা সবার আগে।

See also  ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার উপায়, সফল ব্লগার হওয়ার উপায়, কিভাবে ব্লগার হওয়া যায়

অনেক সময় দেখা যায় আপনি একটি আর্টিকেল পাবলিশ করলেন যেটা 4-5 নাম্বারে দেখালেও পড়ে আর দেখা যায় না। কারন হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন আপনার থেকে ভালো ও এসইও ফ্রেন্ডলী পোস্ট পেয়েছে। তাই আপনার টা নিচের দিকে চলে গেছে। এর সাথে  অফ পেজ এসইও এর ভূমিকাও রয়েছে। তাই এই প্রতিযোগিতার যুগে অন পেজ এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ণ আশা করি আপনাকে আর বোঝাতে হবে না।

কিভাবে অন পেজ এসইও করবেন

অন পেজ এসইও নিয়ে অনেক তথ্য দিয়েছি। এবার আসুন কিভাবে অন পেজ এসইও করা যায় দেখে নেই। অন পেজ এসইও কে দুইটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। এখানে একটি ব্লগ সাইটের গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অংশ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট অন্যটি কন্টেন্ট। এই দুইটি হচ্ছে আপনার সম্বল।

  1. Optimize Website Content
  2. Optimize Website (Technical SEO)

এটা কোনো অফিসিয়াল প্রকারভেদ নয়। তবে বোঝার চেষ্টা করুন যে, Optimize Website Post এবং Optimize Website বিষয়গুলো আসলে কিভাবে কি কাজ করে।

Optimize Website Content (On Page SEO)

ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট বা আর্টিকেল হচ্ছে প্রাণ তাই এই কন্টেন গুলোকে এমন ভাবে এসইও করতে হবে যাতে এগুলো সার্চ ইঞ্জিনে টপ পজিশনে থাকে। কারণ আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট যতদিন টপ পজিশনে না আসছে ততদিন আপনি আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছেন না।

অনেক নতুন ব্লগার রয়েছেন যারা ওয়েবসাইট খুলে একটার পর একটা কন্টেন্ট পাবলিশ করতেই থাকেন। একসময় অনেকগুলো কন্টেন্ট পাবলিশ করার পরেও ভিজিটর না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু কন্টেন্ট এসইও ফ্রেন্ডলী না লিখে হাজার টা পোস্ট করলেও আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যাবে না। 

অন পেজ এসইও কি কি? On Page SEO Topics

অন পেজ এসইও করতে যেই কাজ গুলো করতে হবে তা হলো:-
  • কিওয়ার্ড রিসার্চ ও অপটিমাইজ Keyword Optimization
  • এসইও ফ্রেন্ডলী টাইটেল তৈরি Title Optimization
  • কিওয়ার্ড ডেনসিটি
  • পোস্ট হেডিং Content Heading
  • হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল লেখা
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন Image Optimization
  • ডেসক্রিপশন লেখা Description Writing
  • পারমালিংক তৈরি Custom Permalink
  • ইন্টারনাল লিংকিং Internal Linking
  • এক্সটারনাল লিংকিং External Linkking
  • সাবমিট Google Search Console
  • ওয়েবসাইট ডিজাইন ও স্পিড অপটিমাইজেশন

অন পেজ এসইও এর টপিক অনেক গুলো। নিচে সবগুলো টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

কিওয়ার্ড রিসার্চ কি Keyword Research

অন পেজ এসইও এর বড় অংশ হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা এবং অপটিমাইজ করা। নতুন ওয়েবসাইটে কিওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া আর্টিকেল লিখলে পুরো কষ্টটাই বৃথা। মানুষ যা লিখে কোনো কিছু সার্চ করে সেটাই হচ্ছে কিওয়ার্ড।

Keyword Research and Optimization, ON Page SEO for Blogger
Keyword Research and Optimization

চিত্রে: কিওয়ার্ড বিষয়ে এই কুয়েরিগুলো দিয়ে মানুষ সার্চ করে। এছাড়াও অনেক কিওয়ার্ড আছে শর্ট কিওয়ার্ড, লং কিওয়ার্ড। এখানে শুধু একটা উদাহরণ দেওয়া হলো। On Page SEO করার জন্য প্রথমেই যেই পোস্ট করবেন সেটার জন্য কিওয়ার্ড নির্বাচন করা।

কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয়?

অন পেজ এসইও এর সবচেয়ে বড় একটি অংশ হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। কিওয়ার্ড রিসার্চ করারও কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। সঠিক ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ না করতে পারলে আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায় না। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পূর্বে আপনাকে কিওয়ার্ড সম্পর্কে কিছু তথ্য মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

  • লং টেইল কিওয়ার্ড
  • শর্ট টেইল কিওয়ার্ড
  • সার্চ ভলিউম
  • কিওয়ার্ড লেনথ
  • LSI কিওয়ার্ড

কিওয়ার্ড রিসার্চ করা একটু সময় সাপেক্ষে ব্যপার তবে। বর্তমানে অনেক ফ্রি ও পেইড টুলস পাওয়া যায় যেগুলোর সাহায্যে অল্প সময়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার বিস্তারিত নিয়ম কানুন সম্পর্কে প্রভাতি টেক এ আর্টিকেল রয়েছে সেটি পড়ুন। আপাতত জেনে রাখুন যে অন পেজ এসইও করতে হলে ভালো করে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

See also  অফ পেজ এসইও ২০২৩ গুরত্বপূর্ণ টিপস, OFF Page SEO Tips 2023 Blogger

কিওয়ার্ড রিসার্চ করার কিছু টুলস রয়েছে এগুলোর সাহায্যে বেসিক কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে পারবেন। এছাড়াও উপরের নিয়মে গুগলে সার্চ করে দেখুন লোকজন কি লিখে সার্চ করে।

টাইটেল অপটিমাইজেশন Title Optimization

অন পেজ এসইও এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ টাইটেল অপটিপাইজ করা। একজন ভিজিটর আপনার টাইটেল এর প্রতি আকর্ষিত হয়ে আপনার ব্লগে ভিজিট করবে। এবং এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল এর টাইটেল সঠিক ভাবে দিতে পারলে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করতে ভূমিকা রাখে। নিচের ছবিটি লক্ষ করুন

টাইটেল অপটিমাইজেশন Title Optimization, Write Seo Frindly Article Title
Title Optimization

চিত্রে লক্ষ করুন এখানে টাইটেল কিভাবে সাহানো হয়েছে। এখানে আমি “অন পেজ এসইও” লিখে সার্চ করেছি। এবং এই সম্পর্কিত অনেকগুলো ফলাফল এসেছে। এখানে আপনি কোন ওয়েবসাটে প্রবেশ করবেন। যেটার টাইটেল ভালো লাগবে সেটাই তো। এর পর সেটা পড়ার পর আরও কিছু জানতে অন্যান্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। সেখানে যদি নতুন তথ্য পান তাহলে আপনি সেটাও পড়বেন।

এখন এভাবে আপনার টাইটেল ও কন্টেন্ট লিখতে হবে। দেখুন আপনার ওয়েবসাইট এর পজিশন একটু নিচের দিকে থাকলেও কিন্তু ভিজিটর পাবেন। যখন আপনার ওয়েবসাইটে ভালো মানের কন্টেন্ট দিবেন তখন আপনার ওয়েবসাইটের পজিশন উপরের দিকে উঠতে থাকবে এগুলো নিয়ে পরবর্তীতে আরও আলোচনা করবো।

এসইও ফ্রেন্ডলী টাইটেল তৈরি করার নিয়ম

এসইও ফ্রেন্ডলী টাইটেল তৈরি করার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

  • টাইটেলে কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন
  • আকর্ষনীয় ভাবে টাইটেল সাজান
  • দুই টাইটেলের মধ্যে (,)/(-)/(|) চিহ্ন গুলো ব্যবহার করতে পারেন।
  • ৫০-৬০ টি ক্যারেক্টার ব্যবহার করে টাইটেল তৈরি করুন
  • মেইন কিওয়ার্ড শুরুর দিকে রাখুন

আপতত এই টেকনিক গুলো ফলো করে টাইটেল তৈরি করুন। এবং আমাদের ও অন্যান্য ব্লগের টাইটেল গুলো দেখুন কিভাবে টাইটেল তৈরি করা হয়েছে।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density)

কিওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে আপনি একটি আটির্কেল এর ভিতর কতটুলো মেইন কিওয়ার্ড রাখছেন। একটি ১০০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল এর ভিতর মেইন কিওয়ার্ড গুলো নিয়ম অনুযায়ী দিয়ে দিতে হবে। তবে গুগল বুঝতে পারবে যেই ব্লগ এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। এতে ওই পোস্ট র‌্যাংক করবে তবে অবশ্যই অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ডেনসিটি করবেন না। এতে করে উল্টো ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যাবে। যেমন- এই প্যারায় দুই বার করা হয়েছে। বোল্ড করা দুইট ওয়ার্ড।

হেডিং ব্যবহার করা (Heading H1, H2)

প্রত্যেকটা প্যারা লেখার সময় হেডিং দিয়ে দিয়ে লেখা অন পেজ এসইও এর একটি অংশ। প্রত্যেক প্যরা লেখার সময় হেডিং ব্যবহার করবেন যেমন- এই প্যরা লেখার সময় হেডিং ব্যবহার করা (Heading H1, H2) অংশটি হেডিং করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সাইজ বড় করে দেওয়া হয়েছে। এতে গুগলের বুঝতে ‍সুবিধা হয় যে আপনি কি কি বিষয় নিয়ে আর্টিকেলে আলোচনা করেছেন।

ইমেজ অপটিমাইজেশন Image SEO

ওয়েবসাইট/ব্লগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ইমেজ/ছবি/পিকচার। ব্লগে যতগুলো ছবি ব্যবহার করবেন সেগুলো এসইও করে নিবেন। বেশি কথা না বলে সরাসরি বলছি ইমেজ এসইও হচ্ছে ছবি আপলোড করার আগে ছবির টাইটেলে কিওয়ার্ড অর্থাৎ বিষয়বস্তু লিখে দিবেন। 

তারপর ছবি আপলোড করার পর ছবির Alt Tag, Title Text, Caption লিখে দিবেন। এতে গুগল ইমেজ অপশন থেকে ভিজিটর পেয়ে যাবেন। এবং পোস্ট আরও বেশি এসইও ফ্রেন্ডলী ও সমৃদ্ধ হবে।

ডেসক্রিপশন লেখার নিয়ম Description Optimize

গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে যখন আমরা কিছু সার্চ করি। তখন যেই ফলাফল গুলা আসে। তখন খেয়াল করে দেখবেন যে টাইটেল এর নিচে ছোট করে কিছু লেখা থাকে সেগুলোই হচ্ছে ডেসক্রিপশন। আপনার পোস্ট এর একটি ছোট সারসংক্ষেপ ১৫০ ক্যারেক্টার এর মধ্যে লিখে দিতে হবে। এখানে মেইন কিওয়ার্ড ও টপিকগুলো উল্লেখ করে দিবেন। এটি লেখা হয় মুলত সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝানোর জন্য যে এই পোস্ট টি ওমুক বিষয়ে লেখা হয়েছে।

See also  ব্লগিং কি? ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়, ব্লগিং কিভাবে শিখব ২০২৩

পারমালিংক তৈরি করা Custom Permalink SEO

ব্লগ পোস্ট পাবলিশ করার পূর্বে পারমালিংক তৈরি করে নিন। পাবলিশ করার পর পারমালিংক চেঞ্জ করা যায় না। পরামালিংক তৈরি করার সময় মেইন কিওয়ার্ড এর উপর বেজ করে পারমালিংক তৈরি করবেন। যেমন

  • Exmaple.com/how-to-learn-on-page-seo-bangla
  • Example.com/lean-on-page-seo-bangla
  • Example.com/on-page-seo-tips-bangla
  • Example.com/blogger-on-page-seo-bangla-2023

সার্চ ইঞ্জিনে পোস্ট র‌্যাংক করতে পারামালিংক অনেক ভুমিকা পালন করে। এটাই একমাত্র বিষয় যেটা সবার উপরে থাকে অর্থাৎ এড্রেস বারে। তাই এটা ঠিকঠাক থাকলে পোস্ট র‌্যাংক করবেই।

ইন্টারনাল লিংকিং Internal Linking

ইন্টারনাল লিংকিং যেমন এসইওতে ভূমিকা রাখে তেমনই ওয়েবসাইটের ভিতরে একজন ভিজিটরকে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে সহায়তা করে। আপনি এখানে অন পেজ এসইও বিষয়ে শিখতে আসছেন। এখন আমি যদি বলি শুধু অন পেজ এসইও শিখলেই র‌্যাংক করবে না সাথে সাথে অফ পেজ এসইও শিখতে হবে। তখন আপনি অফ পেজ এসইও আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করবেন তাই না? এটাই টেকনিক। কেমন হলো কমেন্ট করে জানাতে ভূলবেন না। মজা করলেও এটা কিন্তু সত্যি কথা।

ওয়েবসাইট অপটিমাইজ Optimize Website for SEO

শুরুতেই দুইটি বিষয় উল্লেখ করে ছিলাম। যার একটি বিষয় নিয়ে এতোক্ষণ আলোচনা করেছি। অন্যটি হচ্ছে Optimize Website for SEO অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করে কন্টেন্ট পাবলিশ করার পূর্বে এবং পরে কিছু কাজ রয়েছে সেগুলো আপনার ওয়েবাসইটের কন্টেন্টকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে। তাই এই দুইটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ

ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করার মধ্যে অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যেমন, ভালো মানের থিম/টেমপ্লেট নির্বাচন করা, ফাস্ট লোডিং থিম বাছাই করা, গুগল সার্চ কোনসলে ওয়েবসাইটকে সাবমিট করা ইত্যাদি

ওয়েবসাইট ডিজাইন ও স্পিড অপটিমাইজেশন

আপনার ওয়েবসাইট যদি শুধু লোডিং নেয়, ওপেন হতে অনেক সময় নেয়,  ভিতরের ডিজাইনগুলো এলামেলো থাকে তাহলে একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে না। কারণ তার প্রচুর টাইম নস্ট হবে। এছাড়া ওয়েবসাইটের স্পিড যত দ্রুত লোড নিবে সার্চ ইঞ্জিন তত র‌্যাংক করাবে। 

এর জন্য AMP ব্যবহার করা যেতে পারে তবে এর অনেক সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। সেগুলো নিয়ে অন্যদিন আলোচনা করবো। আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড Googles peed insights এ গিয়ে চেক করুন

তাই ওয়েবসাইটকে ক্লিন ও সিম্পল ডিজাইন করতে হবে। তবে ওয়েবসাইট জনপ্রিয়তা লাভ করবে। পাশাপাশি ওয়েবসাইটের স্পিড ও প্রত্যেকটি পোস্ট এর স্পিড অপটিমাইজ করতে হবে। এর জন্য ভালো মানের থিম ব্যবহার করতে হবে।

Google Search Console এ ওয়েবসাইট সাবমিট

ওয়েবসাইট তৈরি করার পর ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ কোনসলে সাবমিট করতে হবে। সাইটম্যাপ তৈরি করতে হবে। ওয়েবসাইটকে ইনডেক্স করাতে হবে এবং প্রত্যেকটি পোস্ট ইনডেক্স করাতে হবে।

তবে ওয়েবসাইট সার্চ কোনসলে সাবমিট করার সাথে সাথেই সাইটম্যাপ সাবমিট করবেন না। প্রথমে ওয়েবসাইটে ৪-৫ টি পোস্ট করে নিবেন। তারপর সাবমিট করবেন। এতে কোনো এরর দেখাবে না আশা করি।

সার্চ কোনসল থেকে আপনার পোস্ট ইনডেক্স না করালে র‌্যাংক করা তো দুরের কথা একটি ভিজিটর ও পাবেন না গুগল থেকে। তাই প্রত্যেকটি পোস্ট র‌্যাংক করাতে অবশ্যই ইউনিক ও কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল লিখতে হবে।

পরিশেষে

এই হচ্ছে অন পেজ এসইও নিয়ে ছোট আলোচনা। এটা আপনার কাছে বড় মনে হলেও অন পেজ এসইও এর আরও অনেক খুটিনাটি বিষয় রয়েছে যেগুলো একটি পোস্ট এ আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। অন পেজ এসইও করার পূর্বে অবশ্যই ওয়েবসাইটকে বেসিক এসইও করে নিবেন।

এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া জগতে অনেক প্লার্টফর্ম রয়েছে যেগুলোতেও এসইও করতে হয়। ফেইসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি। আপনাদের যদি ইউটিউব চ্যানেল থাকে সেটার জন্য এসইও করে নিতে পারেন। ইউটিউব ভিডিও কিভাবে এসইও করবেন সেটা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই Youtube Video SEO পোস্ট টি বিস্তারিত পড়ে নিন। এখানে কিওয়ার্ড রিসার্চ থেকে শুরু করে বিস্তারিত গাইডলাইন পেয়ে যাবেন।